দাদুর মৃত্যুর পর তার ঘর গোছাতে গিয়ে রাহাত খুঁজে পেল একটা পুরনো পকেট ঘড়ি, যার কাঁটাগুলো উল্টোদিকে ঘুরছিল।
ঘড়িটা হাতে নিতেই চারপাশ হঠাৎ ঝাপসা হয়ে গেল। চোখ খুলে রাহাত দেখল, সে দাঁড়িয়ে আছে একশো বছর আগের এক রাস্তায়, চারপাশে পুরনো ধাঁচের বাড়িঘর।
সেখানে দেখা হলো এক তরুণের সাথে, যে আসলে তার দাদুই ছিল, তখনো যুবক। রাহাত বুঝতে পারল না কীভাবে কথা শুরু করবে, কিন্তু দাদু যেন তাকে চিনতে পারলেন এক অদ্ভুত টানে।
একসাথে কাটানো সেই একটা দুপুর রাহাতকে শিখিয়ে দিল, তার দাদু ছোটবেলায় কতটা লড়াই করে বড় হয়েছিলেন, যা পরিবারে কখনো বলা হয়নি।
ঘড়ির কাঁটা যখন আবার সোজা ঘুরতে শুরু করল, রাহাত ফিরে এল নিজের সময়ে। ঘড়িটা হাতে নিয়ে সে বুঝল, সময় হয়তো সবসময় এক দিকে চলে না, কিন্তু কিছু মানুষের ভালোবাসা ঠিকই থেকে যায়।