মরুভূমির বুকে হারিয়ে যাওয়া কেল্লার গল্প বহু বছর ধরে শোনা যায় কাফেলার মুখে মুখে। বলা হয়, সূর্যাস্তের সময় দূর থেকে নাকি সোনালি আভা দেখা যায় বালির নিচে।
চার বন্ধুর একটা দল, পুরনো মানচিত্র হাতে, বেরিয়ে পড়ল সেই কেল্লা খুঁজতে। তিন দিনের যাত্রা শেষে তারা পৌঁছাল এমন একটা জায়গায়, যেখানে বালি হঠাৎ শক্ত মাটিতে পরিণত হয়েছে।
মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল পাথরের প্রাচীন সিঁড়ি, যা নেমে গেছে অন্ধকারে। মশাল জ্বালিয়ে দলটা নামল ভেতরে, দেয়ালে খোদাই করা অচেনা এক ভাষার লেখা।
কেল্লার কেন্দ্রে পাওয়া গেল না কোনো সোনা, বরং একটা বিশাল জলাধার, যা শত বছর ধরে মরুভূমির নিচে টিকিয়ে রেখেছিল প্রাচীন এক সভ্যতাকে।
দলটা বুঝল, "সোনা" আসলে ছিল সূর্যাস্তের আলো পড়ে জলাধারের প্রতিফলন। কিন্তু তার চেয়েও মূল্যবান আবিষ্কার ছিল সেই ভুলে যাওয়া সভ্যতার চিহ্ন, যা তারা বিশ্বকে জানাতে ফিরল।